August 23, 2012

বাণিজ্যিকভাবে মৌমাছি পালন


বাণিজ্যিকভাবে মৌমাছি পালন : মাত্র ৭০/৮০ হাজার টাকা বিনিয়োগ করে বছরে আয় সম্ভব দেড় লক্ষ টাকা
মৌমাছির নামকরনে মহান আল্লাহ পাক "সুরা নাহল" নামক একটি সুরা নাযিল করেছেন। সূরা নাহলের ৬৮ ও ৬৯ নম্বর আয়াতে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন ঘোষণা করেছেন-
“আপনার পালনকর্তা মৌমাছিকে আদেশ দিলেন, পর্বতগাত্রে, বৃক্ষ এবং উঁচু ডালে গৃহ তৈরি কর, এরপর সর্বপ্রকার ফুল থেকে মধু চোষণ করে নাও এবং চল স্বীয় রবের সহজ-সরল পথে। তার পেট থেকে বের হয় নানা রঙের পানীয় যাতে রয়েছে মানুষের জন্য রোগের প্রতিকার। নিশ্চয় এতে রয়েছে চিন্তাশীল লোকদের জন্য নির্দশন।”
পৃথিবীর এমন কোন দেশ নেই যেখানে মধুর কদর নেই। বিশেষ করে ইউরোপ ও আমেরিকায় শীত প্রধান অঞ্চলে মধুর চাহিদা এতই বেশি যে, প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ টন মধু আফ্রিকাসহ বেশ কয়েকটি দেশ থেকে আমদানী করেও এই চাহিদা তারা পূর্ণ করতে পারে না। তাছাড়া বেশ কিছু লিকুইট ওষুধ তৈরীতেও মধুর প্রয়োজন হয়, যার চাহিদাও সারা বছরই অপূর্ণ থাকে যায়।

August 13, 2012

ফ্রিল্যান্সিং – যেভাবে শুরু করবেন

বর্তমানে ফ্রীল্যান্সিং একটি জনপ্রিয় কর্মক্ষেত্র। খুব সহজে এবং বিনা পুজিতে আপনি ফ্রীল্যান্সিং শুরু করতে পারেন। আমামদের দেশে অনেক প্রতিভা আছে, আছে অনেক সম্ভাবনা শুধু দরকার তাদেরকে সঠিক তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করা। শুধু মাত্র সঠিক তথ্য এবং দিকনির্দেশনার অভাবে আমরা পিছিয়ে যাচ্ছি। আমার এই লেখাতে আমি চেষ্টা করব, কিভাবে আপনি ফ্রীল্যান্সিং শুরু করবেন।
ফ্রীল্যান্সিং কি? সহজ কথায় ফ্রীল্যান্সিং হল অন্য কার কাজ করে দেয়া। আমামদের দেশে ফ্রীল্যান্সিং বলতে আমরা বুঝি অন্য দেশের কাজ একটা মার্কেটপ্লেস থেকে যোগাযোগ করে, কাজ নেয়া এবং সেটা করা।
ফ্রীল্যান্সিং এর ক্ষেত্র - odesk. Elance, freelancer, আরও অনেক সাইট রয়েছে যেখানে আপনি বিনা মুল্লে নিবন্ধিত হতে পারেন এবং কাজ শুরু করতে পারেন।
ফ্রীল্যান্সিং এর সুবিধা- ফ্রীল্যান্সিং এর  অনেক সুবিধা আছে, যেমন আপনি নিজে নিজের কাজ ঠিক করতে পারছেন, নিজের পছন্দ মত কাজ বেছে নেয়ার সুযোগ, মার্কেট সম্পর্কে ধারনা পাবেন, আন্তর্জাতিক মানের কোম্পানির সাথে কাজ করার সুযোগ, নিজের পরিচয় এবং কাজকে অন্যকে জানাতে পারছেন, অবশ্যই আপনি উপার্জন করছেন, আপনার দক্ষতা যাচাই করার সুযোগ পাচ্ছেন, সর্বোপরি এই বিশ্বায়নের যুগে নিজেকে প্রস্তুত করতে পারছেন।

১টা সার্ভিস বেইসড বিজনেস আইডিয়া

"চিকিৎসা বিষয়ক তথ্য সহায়তা, কনসালটেন্সি এবং সাপোর্ট সার্ভিস" 
[দেশের বাইরে যারা চিকিৎসা করাতে যেতে চান তাদের যথাযথ হসপিটাল, ডাক্তার, মেডিসিন, থাকার ব্যবস্থা, খাওয়া দাওয়া, ট্রান্সপোর্টেশন, প্লেন টিকেট, পাসপোর্ট, ভিসা ইত্যাদি বিষয়ে সেবা প্রদান করা] 
রেভিনিউ আসবেঃ
# কনসালটেন্সি ফিস
# কমিশন (হোটেল, এয়ার টিকেট এবং অন্যান্য সেক্টর থেকে) 
কঠিনভাবে মেইন্টেইন করতে হবেঃ
ডাক্তার, হাসপাতাল বা ঔষধ থেকে কোনো কমিশন নেয়া যাবে না। রোগীর অভিভাবক যে হাসপাতালে যেতে চান বা যে ডাক্তারের কাছে যেতে চান, যাবেন। তাদের কোনভাবে প্রভাবিত করে অন্য কোথাও নেয়া যাবে না। আর যদি তারা না জানেন যে, কোথায় বা কার কাছে যাবেন তাহলে তাদের প্রয়োজন এবং সামর্থ অনুযায়ী সেরা সার্ভিসগুলো তাদের সামনে উপস্থাপন করতে হবে, তারা তাদের পছন্দ অনুযায়ী বেছে নিবেন। 
যাদের বিদেশ ঘুরাঘুরি করতে মন চায় বা ভালো লাগে তারা এই ব্যবসাটি ট্রাই করতে পারেন। সেবা, ভ্রমন ও মুনাফা সবই হবে একসাথে।

কেস স্টাডি : শারমিন রাবেয়া এর জামদানি শাড়ির প্রদর্শনী

দিন ১ : (১১.০৮.২০১২) 
রাবেয়া আপু অফিস এর কাজ সেরে তাড়াতাড়ি ছুটি নিয়ে চলে এসেছেন আইডিয়াবাজ অফিসে । আপু, তানশির ভাই এবং আমি বসে প্ল্যান করে নিলাম । সবার সাথে যোগাযোগ করে করণীয় ঠিক করে নিচ্ছি। ভ্যেনু এক রকম ফাইনাল । ঠিক হল বিকালে ইফতারের পর আমরা ভেনু দেখে ফাইনাল করব ।তবে কিছু সমস্যার কারণে ভ্যেনু দেখে আসা সম্ভব হয়ে উঠেনি আজ।
দিন ২ :(১২.০৮.২০১২)
সকাল থেকে আইডিয়াবাজ অফিসে আগের দিনের প্ল্যানগুলু বাস্তবায়ন এর কাজ এ নেমে পরি আমরা (আমি এবং শারমিন আপু), বিশেষ করে বিজনেস কার্ড, একটা হালকা লোগো, ব্যানার ডিজাইন, শপিং ব্যাগ ডিজাইন ইত্যাদি ।আমাদের নতুন কিছু শাড়ি ঢাকা থেকে এসেছে । টোটাল এখন ৩২ টা । নতুনগুলো একটু উন্নত মানের আগের চেয়ে ।বিকালে ইফতারের পর আমরা ভ্যেনু দেখতে গেলাম এবং হতাশ হয়ে গেলাম বিভিন্ন কারণে
        ১) যে মার্কেটে ঠিক করা হয়েছে সেটিতে মানুষের আনাগোনা হাতে গুনা
        ২) প্লেসটা এক্কেবারে উপরের ফ্লোরে ।
       ৩) এখানে সবগুলু মোটামুটি অফিস টাইপস তাই ভিজিটর কম হতে পারে

জামদানি শাড়ি


বিশ্ব দরবারে স্বতন্ত্র মহিমায় সমুজ্জল অভিজাত তাঁতবস্ত্র এ জামদানি। এ শিল্পের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়েছে এ দেশের সংস্কৃতি ও কৃষ্টি। বিশ্ব বিশ্রুত অনন্য মসলিন শাড়ির সংস্করন আধুনিক জামদানি শাড়ি। নারীর সৌন্দর্যসুধাকে বিমোহিত করে তুলতে জামদানির অপরিহার্যতা বিশেষ স্মরণীয়।
জামদানি নিয়ে উচ্চারিত হয়েছে চিরঞ্জীব পংক্তিমালা। যেখানে বন্ধুকে হাট থেকে তার প্রিয়তমা রমনী ঢাকাই জামদানি শাড়ি এনে দিতে বলছে।
তবুও ঈদকে সামনে রেখে জামদানি পল্লীতে চলছে কর্মব্যস্ততা। নাওয়া-খাওয়া ভুলে জামদানি শিল্পীরা এখন কাপড় বুনে যাচ্ছে। এবারের ঈদে তাদের চাহিদা অনেক। এবারের ঈদে প্রায় ৩০ কোটি টাকার জামদানি দেশের বিভিন্ন বিপনী বিতান ও বিদেশ যাবে বলে জামদানি তাঁতিরা জানান।

পোষাক ব্যবসা (পণ্য এবং সেবা) সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্যকোষ

কি থাকবে এই ডকে ?
যারা সংশ্লিষ্ট (পোষাক) ব্যবসায় আছেন (যেমন, স্টকলট ব্যবসায়ী, শোরুম ব্যবসায়ী, ই-কমার্স ব্যবসায়ী, কারখানা মালিক, একসসরিস সরবারহকারী, স্ক্রীন প্রিন্টিং ও এমব্রয়ডারী ব্যবসায়ী, মেশিন সরবারহকারী এবং পোষাক সংক্রান্ত অন্যান্য সেবা প্রদানকারী) তাদের সাথে যোগাযোগের বিস্তারিত তথ্য এবং ব্যবসা (পণ্য ও সেবা) সম্পর্কে পূর্ণ বিবরণ।
কি হবে বা কি লাভ ?
এতে করে গ্রুপে আলাদা করে আপনার ব্যবসা (পণ্য ও সেবা) সম্পর্কে আলাদা করে বিজ্ঞাপন দিতে হবে না। একে অপরকে সহজেই খুঁজে নিতে পারবেন। ব্যসায়িক যোগযোগ ও সম্পর্ক বৃদ্ধি পাবে এবং অধিকতর সহজ হবে।
[আপাতত কোনো লোগো বা ইমেজ ব্যবহার করার প্রয়োজন নেই। এডিট করার পূর্বে বর্তমান তথ্যগুলোর একটা ব্যাকআপ নিয়ে তারপর এডিট করবেন। সেক্ষেত্রে কোন সমস্যার কারনে তথ্য হারিয়ে বা মুছে যাবার সম্ভাবনা কম থাকবে]

বরং নিজেই হই উদ্যোক্তা

বিশ্বাস করুন আর না-ই করুন, সময় কিন্তু মানুষকে সব সময়ই সঠিক পথ দেখায়। সে পথকে চিনে নেওয়ার দায়িত্ব শুধু আপনার। হয়তো ভাবছেন, কী সব আবোলতাবোল কথা! সময় আবার মানুষকে পথ দেখায় কীভাবে!তাহলে বলি, চোখ-কান খুলে আপনার চারপাশে একটু তাকান। ভূরি ভূরি উদাহরণ মিলবে। এই যেমন মাহমুদুল হাসান সোহাগ। বুয়েট থেকে তড়িৎকৌশল বিষয়ে শিক্ষাজীবন শেষ করে সময়ের দেখানো পথেই পা বাড়িয়েছেন। তাঁর মতে, ‘চাকরির পেছনে না ছুটে বরং নিজেই একটা কিছু করা এখন সময়ের দাবি।’ সেই দাবি মেটাতেই মাহমুদুল হাসান গড়ে তুলেছেন অনলাইনভিত্তিক বই বিকিকিনির প্রতিষ্ঠান ‘রকমারি ডট কম’, সেই সঙ্গে ‘অন্য রকম সফটওয়্যার’, ‘অন্য রকম সলিউশন’, ‘অন্য রকম ওয়েব সার্ভিস’, ‘অন্য রকম প্রকাশনী’, সব মিলিয়ে মাহমুদুল হাসান গড়ে তুলেছেন ‘অন্য রকম গ্রুপ’, এখন তিনি সফল একজন উদ্যোক্তা।রাজধানীর বাইরেও উদাহরণ আছে অসংখ্য। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলার শিক্ষার্থী আরাফাত রুবেলের কথাই ধরা যাক। পড়ালেখার পাট চুকানোর পর একদিনের জন্যও চাকরি খোঁজেননি আরাফাত, বরং নিজেই কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির কাজে নেমে পড়েছেন।