August 5, 2012

খরগোস ও এক্যুরিয়াম ফিস

শখে অথবা বানিজ্যিক ভিত্তিতে যে ভাবেই শুরু করতে চান না কেন "খরগোস এবং একুরিয়াম ফিস" পালন করতে চাইলে এই দু'টো কনটেন্ট পড়ে নিতে পারেন আপাদমস্তক ! এরপর মনে হয় আর কোনো থিউরিক্যাল জ্ঞানের প্রয়োজন পড়বে না। আর প্র্যাকটিক্যাল জ্ঞানের জন্যে ছোট পরিসরে পরীক্ষামূলকভাবে প্রজেক্ট করা ছাড়া উপায় নেই। অতএব, যাদের এই বিষয়ে আগ্রহ আছে তারা স্ট্যাডি করার পরে পাইলট প্রকল্প শুরু করতে পারেন। 
খরগোস পালনঃ
একুরিয়াম ফিস পালনঃ

বৃষ্টির পানি সংরক্ষন

ঢাকা ঘোষণায় বলা হয়েছে, বৃষ্টির পানি ধরে রেখে ব্যবহারের জনপ্রিয় করতে আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক শিক্ষা ও জনসচেতনতা তৈরি করতে হবে। এর ব্যবহার বাধ্যতামূলক করার জন্য সরকারের নীতিমালা করতে হবে। বিশেষ করে জাতীয় ইমারত নির্মাণ বিধিমালা, জাতীয় গৃহায়ন নীতিমালা ও সরকারে অন্য সব সংশ্লিষ্ট নীতিমালায় এটি অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। বিস্তারিত লিখেছেন, তরিক রহমান।
আজ আষাঢ় মাসের ১১ তারিখ। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টির দেখা মিলছে নিয়মিতই। এই বৃষ্টির পানি আমাদের জন্য উপাদেয় ও পানযোগ্য (প্রথম ৫/৭ মিনিট বাদে), দেশের শহরাঞ্চলগুলোতে পানির চাহিদা মোকাবেলায় হিমশিম খাচ্ছে সরকারি ব্যবস্থা। ফলে পানি সঙ্কট মোকাবেলার জন্য বৃষ্টির পানির ওপর নির্ভরতা বাড়ানো এবং বৃষ্টির পানি ধরে রেখে ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা ও এ বিষয়ে গণসচেতনতা তৈরিসহ বিভিন্ন দাবি তুলে ধরে সম্প্রতি ঢাকায় দু'দিনের রেইন ওয়াটার হার্ভেস্টিং কনভেশনের শেষ দিনে ঢাকা ঘোষণা উপস্থাপন করা হয়।

August 4, 2012

কাকঁড়া চাষ



কাঁকড়া। একেবারেই অবহেলিত এক জলজ প্রাণী। অবহেলিত এই কাঁকড়াই খুলে দিতে পারে দেশের অর্থনীতিতে সম্ভাবনার এক নতুন দুয়ার। কারণ বিদেশে এই কাঁকড়ার চাহিদা এখন আকাশছোঁয়া। সঠিক পরিকল্পনা নিলে এ পণ্য বদলে দিতে পারে লাখো মানুষের ভাগ্য। কাঁকড়া রপ্তানি করে এখন প্রতিবছর গড়ে আয় হচ্ছে প্রায় ৪০০ কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা। দিন দিন যে হারে চাহিদা বাড়ছে তাতে সাদা সোনা হিসেবে পরিচিত চিংড়িকেও হার মানাতে পারে এই জলজ সম্পদ-এমনটাই মনে করছেন কাঁকড়া চাষিরা। কাঁকড়া রপ্তানি করে বছরে হাজার কোটি টাকা বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে এখন প্রয়োজন শুধু সরকারি সহযোগিতা ও পৃষ্ঠপোষকতা।সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ব্যবসায়ীদের কাঁকড়া বাজারজাত করতে প্রতিমাসে পুলিশকে দিতে হয় ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা। এ টাকা না দিলে পথেই পচে নষ্ট হয় শত শত টন কাঁকড়া। অন্যদিকে রপ্তানিকারকরাও প্রতিনিয়ত নানারকম ভোগান্তির শিকার হন। সরকারকে রাজস্ব দেওয়ার পরও হয়রানির শিকার হন তারা। রপ্তানির ছাড়পত্র নিতে গিয়ে গুনতে হচ্ছে উৎকোচ। আর সবচেয়ে মজার বিষয় হচ্ছে কাঁকড়া মৎস্য সম্পদ হলেও এটি রপ্তানির ক্ষেত্রে ছাড়পত্র দেয় বন বিভাগ।

মানিব্যাগের কারখানা দিবেন?

পকেটে মানিব্যাগ রাখেন না এমন লোক খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। শুধু টাকা রাখাই নয়, ভিজিটিং কার্ড থেকে শুরু করে প্রয়োজনীয় চিরকুট অনেক কিছুই মানিব্যাগে রাখা হয়। আর অনেক কাজের কাজি এই মানিব্যাগ তৈরিই হতে পারে আপনার আয়ের পথ। জানাচ্ছেন - সিদ্ধার্থ সাই
মানিব্যাগ তৈরির কারখানা দিতে চাইলে খুব বেশি পুঁজির প্রয়োজন হয় না। আর প্রশিক্ষণের জন্য যোগাযোগ করতে পারেন নিজ এলাকার বিসিক অফিসে। এ ছাড়া জিঞ্জিরা, নাখালপাড়া, কামরাঙ্গীরচর, রায়েরবাজার, কোনাপাড়া, যাত্রাবাড়ী ও সায়েদাবাদের বাদল সরদারের গলিতে আছে বেশ কিছু কারখানা। চাইলে সেখানে যোগাযোগ করে দেখে নিতে পারেন তৈরির পদ্ধতিও। তৈরির পদ্ধতি খুব বেশি ঝামেলার না হওয়ায় দু-তিন দিন দেখে নিলেই হবে।
যেভাবে শুরু করবেন - পুঁজি কম হলে নিজে এবং বেশি হলে কর্মচারী নিয়ে শুরু করতে পারেন। এর জন্য ১০-১২ বর্গফুটের ঘর হলেই চলবে।কাঁচামালের খোঁজে যেতে হবে ঢাকার হাজারীবাগ, বংশাল ও সিদ্দিকবাজারে। এসব জায়গা থেকে চামড়াসহ অন্য সব কিছুই পাবেন।
মানিব্যাগের কারখানা করতে কী কী লাগবে - একটা চামড়া বা রেকসিন সেলাই উপযোগী মেশিন। আর লাগবে একটা প্রেশার ডাইস মেশিন। টেবিল বা পিঁড়ি, কাটিং ছুরি, কাঁচি, লাঠি, হাতুড়ি এসব যন্ত্রপাতি হলেই চলবে। আর কাঁচামালের মধ্যে লাগবে চামড়া, রেকসিন, রানার, জিপার, সুতা, পেস্টিং সলিউশন, আস্তর, বোতাম, কাপড়, নেট, পেপার ও সেলুলয়েড পেপার।

১০১ ব্যবসার ধারণা

নানান সময়ে এই গ্রুপে নানান ব্যবসা উদ্যোগের আরোচনা হয়। সেগুলোকে কম্পাইল করে একটি মাত্র ডক বানানো হচ্ছে এই ডকের উদ্দেশ্য। এখানে কেবল কয়েকলাইনে আইডিয়াটা থাকবে। বিস্তারিত অন্য কোথাও থাকবে। সবাই নিজ নিজ উদ্যোগে এই ডককে বিকশিত করতে পারবেন। যখন ১০১টি উদ্যোগের একটি আউটলাইন দাড়াবে তখন আমরা এটিকে বই আকারে প্রকাশ করবো। তো হয়ে যাক-
সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ : এই দলিল সবার জন্য উন্মুক্ত এবং জিএফডিএল লাইসেন্সের আওতায় প্রকাশিত। যাদের আইডিয়া চুরি হয়ে যাওয়ার ভয় আচে বা যারা প্রাপাইটরি আইডিয়া নিযে থাকেন তাদের জন্য এই ডকুমেন্ট সম্ভবত যথোপযুক্ত নয়। নিজের বুদ্ধি বিবেচনা শাথায় রেখে এটিতে যুক্ত হতে হবে।

ছাগল পালন বৃত্তান্ত



ছাগল বাংলাদেশের অতি গুরুত্বপূর্ণ পশুসম্পদ। ছাগল আমাদের দেশে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস। বাংলাদেশে বেকার সমস্যা ও দারিদ্র্য হ্রাস মাংস উৎপাদন বৃদ্ধি ও বৈদেশিক মূদ্রা অর্জনের ক্ষেত্রে ছাগল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। উল্লেখ্য যে এদেশের মোট প্রায় আড়াই কোটি ছাগলের অধিকাংশই ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের।
ছাগল পালনের সুবিধাদিঃ
* ছোট প্রাণীর খোরাক তুলনামূলকভাবে অনেক কম, পালনের জন্য অল্প জায়গা লাগে এবং মূলধনও সাধারণ মানুষের সামর্থ্যের মধ্যে থাকে।
* গবাদিপশুর তুলনায় ছাগলের রোগবালাই কম।
* তুলনামূলক কম সময়ে অধিক সংখ্যক বাচ্চা পাওয়া যায়। বছরে দুইবার বাচ্চা প্রসব করে এবং প্রতিবারে গড়ে ২-৩ টি বাচ্চা হয়ে থাকে।
* দেশে ও বিদেশে ব্ল্যাক ছাগলের চামড়া, মাংস ও দুধের বিপুল চাহিদা আছে।
* ছাগলের দুধ যক্ষ্মা ও হাঁপানি রোগ প্রতিরোধক হিসাবে জনশ্রুতি রয়েছে এবং এজন্য এদের দুধের যথেষ্ট চাহিদা রয়েছে।
* ছাগল ভূমিহীন ক্ষুদ্র ও মাঝারী চাষীদের অতিরিক্ত আয়ের উৎস হিসাবে বিবেচিত হয়।

সম্ভাবনাময় প্রকল্প : বাণিজ্যিকভাবে কোয়েল পালন

বিভিন্ন গৃহপালিত পাখির মধ্যে কোয়েল সবচেয়ে ক্ষুদ্র প্রজাতি। কোয়েল পালনে কবুতরের মতো নির্দিষ্ট ঘর যেমন প্রয়োজন হয় না আবার মুরগির মতো ব্যাপক আকারের খামারেরও প্রয়োজন নেই। তাই কোয়েল পালন আজকাল অনেক ব্যাপক হয়ে উঠেছে।
কোয়েল পালন করার জন্য অতিরিক্ত বা বাহুল্য কোন খরচ হয় না। বাড়ির যেকোন কোণ বা আঙিনা অথবা বাড়ির ছাদ ইত্যাদি জায়গাতেও কোয়েল পালন করা যায়। এই কারণে শহরে কী গ্রামে অনেক স্থানেই কোয়েল পালন ব্যাপক ও সহজতর হয়েছে। গৃহপালিত পাখির মধ্যে ক্ষুদ্র এই পাখির আয়তনও খুব বেশি নয়। একটি মুরগি পালনের স্থানে ৮টি কোয়েল পালন করা যায়।
বিষেজ্ঞদের দ্বারা প্রমাণিত হয়েছে বাংলাদেশের আবহাওয়া কোয়েল পালনের জন্য সর্বাধিক উপযোগি। এই কারণে, বিভিন্ন হাস মুরগির খামারেও ইদানিং কোয়েল পালন ব্যাপকভাবে সাড়া জাগিয়েছে। দেশের পুষ্টি মিটিয়ে ইদানিং কোয়েলের মাংস বিদেশেও রপ্তানী হচ্ছে।