December 8, 2012

নতুন ব্যবসা ঠোঙ্গার কারখানা

Shehab Ahmed in  চাকরি খুঁজব না চাকরি দেব
ভাঙ্গারির দোকান থেকে কাগজ কিনতে পারেন। পঞ্চাশ কেজি ঠোঙ্গা বানাতে লাগবে তিন কেজি আটার সঙ্গে পানি মিশিয়ে আগুনে তাপ দিয়ে বানানো আঠা। দুই কেজি, দেড় কেজি, আধা কেজি ও পোয়া কেজি এই চার সাইজের ঠোঙ্গা বেশি চলে। তাই কাগজ কিনে যে ঠোঙ্গা বানাবেন তা মাপমতো কেটে নিতে হবে। আকার ঠিক রাখতে প্রয়োজনে বাজার থেকে নির্দিষ্ট মাপের একটা করে ঠোঙ্গা সংগ্রহে রাখতে পারেন। ঠোঙ্গার তলায় দেওয়ার জন্য সাইজমতো চারকোনা কাগজ কেটে নিতে হবে। একপাশে ঠোঙ্গার ও তলার কাগজ অন্যপাশে আঠা নিয়ে বসে যেতে হবে। সাইজ করা কাগজগুলো গোল করে দুই মাথা আঠা দিয়ে লাগিয়ে দিতে হবে। অনেকটা পাইপের মতো দেখাবে। চাপ দিয়ে ভাঁজ করে ওজনদার কিছু দিয়ে চেপে রাখতে হবে। চেপে রাখা কাগজের ভাঁজ পড়া দুই পাশ আঙুলে চাপ দিয়ে পাইপের ভেতর ঢুকিয়ে দিতে হবে। এখন আড়াআড়ি দুই পাশ ভেতরের দিকে আর দুই পাশ বাইরের দিকে থাকবে। চারকোনা করে কেটে রাখা একটা কাগজ ভেতরের ভাঁজের ওপরে রেখে বাইরের দিকে থাকা কাগজ দুটি দিয়ে আঠা দিয়ে লাগিয়ে দিতে হবে। হয়ে গেল কাগজের ঠোঙ্গা।

10 (Ten) branding mistakes

Maksud Dot Alam in  চাকরি খুঁজব না চাকরি দেব (Files) · 


One. Don’t be fake. Be genuine.

A lot of people think branding is all about creating an image for the outside world, when in fact branding is based on authenticity. So know, who you are and use that to build your brand. 
Two. Don’t be wishy-washy. Take a stand.
Strong brands aren’t all things to all people they are willing to take a stand and helps him to stand out.
Three. Don’t act before thinking.
 I see lots of people commutating, I think brand is all about visibility, let’s get as many messages out there as we possibly can, that’s going to work against you. Have a plan, know what it is you want to do before you start getting your communications out there. 

ডায়ানগষ্টিক সেন্টার বিজনেস

Muhammad Abdullah Chowdhury in  চাকরি খুঁজব না চাকরি দেব (Files) 
একজন প্রশ্নকারী: আমি একটি ডায়ানগষ্টিক সেন্টার খুলেছি.,ডায়ানগষ্টিক সেন্টার এ আপাতত প্যাথলজিক্যাল কাজ গুলো করা হয়...আপাতত মাসিক আয় হচ্ছে ৮-১০ হাজার টাকা,আমরা প্যাথলজিস্ট কে মাসে ৬ হাজার টাকা দিতে হয়....আমার ডায়ানগষ্টিক সেন্টারে আরো কিছু মেশিন দরকার যেমন আল্ট্রসনোগ্রাফি,ইসিজি,এক্স-রে এবং আরো কিছু । এই গুলো কিনতে কত টাকা লাগতে পারে এবং এই গুলোর উপর ভালো কোন লোন পাওয়া যাবে কিভাবে ? ৫-৬ লাখ টাকার লোন হলেই চলবে । আল্ট্রসনোগ্রাফি,ইসিজি,এক্স-রে এই মেশিন গুলোন থাকলে আমি আরো অনেক লোক কে কাজ দিতে পারব । আমার প্রতিদিন ১০ থেকে ২০ হাজার টাকা চলে যাচ্ছে এই মেশিন গুলো না থাকার কারনে । আমাকে এই ব্যাপারে হেল্প করুন ।ব্যাংকের সাথে কথা বলেছি । ওরা বলতেছে যে আমি এখন ও নাকি নতুন । তাই তারা দিবেনা । আর ওরা বলতেছে যে আমি নাকি এটার উপযুক্ত না । আর আমাদের এলাকার মানুষ জন ভাল না তারা সব কাজেই বাধা দিবে । তাই ব্যাংক টাকা দিতে চাইতেছেনা ।

এনিমেশন

Nazmul Hasan Majumder in  চাকরি খুঁজব না চাকরি দেব 
এনিমেশন শিল্পের উদ্ভাবক ওয়াল্ট ডিজনি’র হাত ধরেই এনিমেশন আজকের এই অবস্থানে এসে পৌঁছিয়েছে । তার হাতে তৈরি বিখ্যাত ‘মিকি মাউস’,’পিনোকি’ ‘ডোনাল্ড ডাক’ এর মত এনিমেটেড কার্টুন ফিল্ম দিয়েই এনিমেশন কার্টুন ফিল্মে র শুরু । তিনি ১৯২৯ সালে 'মিকি মাউস' কার্টুন চরিত্রের সৃষ্টি করেন ।তার দীর্ঘ সাধনাই মিকি মাউসকে জীবন্ত চরিত্র দান করে নির্মাণ করেন কার্টুন চলচ্চিত্র।আর এভাবেই মূলত এনিমেশন এর যাত্রা শুরু হয়।
এনিমেশন শব্দটি লাতিন শব্দ ‘এনিমা’ থেকে এসেছে।এর অর্থ হল- ‘সোল’ বা আত্মা। পর্দায় কোন একটি জড় বস্তু বা চরিত্রকে চলমান কোন চিত্রে জীবন বা রূপদান দেওয়াকে এনিমেশন বলা হয়। আর এই জীবন দানের কাজটি যারা করে থাকে তাদের এনিমেটর বলা হয়।

ব্যবসায় পণ্যের প্রচার ও প্রসার বা মার্কেটিং

Mahabubur Rahaman Arman 
যেকোনো ব্যবসা এর জন্য মার্কেটিং ব্যাপার টা অত্যন্ত জরুরী। আমরা হয়তো জানি না তবে আমাদের প্রতিনিয়তই এটার প্রয়োজন পরে। অনেকেই ভালো বোঝে এ ব্যাপারে আবার অনেক জ্ঞান নেই বললেই চলে এ ব্যাপারে।একটি পন্য এর বিক্রয়ের আওতা সম্পূর্ণ নিরভর করে ঐ পণ্যের সঠিক মার্কেটিং এর উপর। তো চলুন একটু বিস্তারিত ভাবে জানি কতভাবে পণ্যের মার্কেটিং করা যায়। ধরুন যেকোনো একটি ব্যবসা এর কথাই। চলুন কিভাবে কোন পর্যায় এ কি রকম মার্কেটিং দরকার জেনে নেই।

ঘরেই বেল্টের কারখানা

কোমর বন্ধনী বা বেল্ট ছাড়া অনেকেরই সাজ সম্পূর্ণ হয় না। সারা বছরই এর সমান চাহিদা, তাই বিক্রিও ভালো। বেল্ট তৈরির একটি কারখানা করতে বেশি পুঁজির প্রয়োজন হয় না। বাসায় খালি ঘর থাকলেই বেল্ট তৈরির ছোট কারখানা করা যায়, প্রথম দিকে একাই শুরু করতে পারেন। জিনজিরা, চকবাজার, ইসলামবাগ, যাত্রাবাড়ী, বিবির বাগিচা, সায়েদাবাদ, রায়েরবাজারসহ ঢাকার বিভিন্ন জায়গায় আছে বেল্টের ছোট-বড় কারখানা। ব্যবসা শুরুর আগে বেচা-বিক্রি আর কাঁচামাল সংগ্রহের খোঁজখবর এসব কারখানা থেকেই নিতে পারেন।

August 23, 2012

বাণিজ্যিকভাবে মৌমাছি পালন


বাণিজ্যিকভাবে মৌমাছি পালন : মাত্র ৭০/৮০ হাজার টাকা বিনিয়োগ করে বছরে আয় সম্ভব দেড় লক্ষ টাকা
মৌমাছির নামকরনে মহান আল্লাহ পাক "সুরা নাহল" নামক একটি সুরা নাযিল করেছেন। সূরা নাহলের ৬৮ ও ৬৯ নম্বর আয়াতে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন ঘোষণা করেছেন-
“আপনার পালনকর্তা মৌমাছিকে আদেশ দিলেন, পর্বতগাত্রে, বৃক্ষ এবং উঁচু ডালে গৃহ তৈরি কর, এরপর সর্বপ্রকার ফুল থেকে মধু চোষণ করে নাও এবং চল স্বীয় রবের সহজ-সরল পথে। তার পেট থেকে বের হয় নানা রঙের পানীয় যাতে রয়েছে মানুষের জন্য রোগের প্রতিকার। নিশ্চয় এতে রয়েছে চিন্তাশীল লোকদের জন্য নির্দশন।”
পৃথিবীর এমন কোন দেশ নেই যেখানে মধুর কদর নেই। বিশেষ করে ইউরোপ ও আমেরিকায় শীত প্রধান অঞ্চলে মধুর চাহিদা এতই বেশি যে, প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ টন মধু আফ্রিকাসহ বেশ কয়েকটি দেশ থেকে আমদানী করেও এই চাহিদা তারা পূর্ণ করতে পারে না। তাছাড়া বেশ কিছু লিকুইট ওষুধ তৈরীতেও মধুর প্রয়োজন হয়, যার চাহিদাও সারা বছরই অপূর্ণ থাকে যায়।

August 13, 2012

ফ্রিল্যান্সিং – যেভাবে শুরু করবেন

বর্তমানে ফ্রীল্যান্সিং একটি জনপ্রিয় কর্মক্ষেত্র। খুব সহজে এবং বিনা পুজিতে আপনি ফ্রীল্যান্সিং শুরু করতে পারেন। আমামদের দেশে অনেক প্রতিভা আছে, আছে অনেক সম্ভাবনা শুধু দরকার তাদেরকে সঠিক তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করা। শুধু মাত্র সঠিক তথ্য এবং দিকনির্দেশনার অভাবে আমরা পিছিয়ে যাচ্ছি। আমার এই লেখাতে আমি চেষ্টা করব, কিভাবে আপনি ফ্রীল্যান্সিং শুরু করবেন।
ফ্রীল্যান্সিং কি? সহজ কথায় ফ্রীল্যান্সিং হল অন্য কার কাজ করে দেয়া। আমামদের দেশে ফ্রীল্যান্সিং বলতে আমরা বুঝি অন্য দেশের কাজ একটা মার্কেটপ্লেস থেকে যোগাযোগ করে, কাজ নেয়া এবং সেটা করা।
ফ্রীল্যান্সিং এর ক্ষেত্র - odesk. Elance, freelancer, আরও অনেক সাইট রয়েছে যেখানে আপনি বিনা মুল্লে নিবন্ধিত হতে পারেন এবং কাজ শুরু করতে পারেন।
ফ্রীল্যান্সিং এর সুবিধা- ফ্রীল্যান্সিং এর  অনেক সুবিধা আছে, যেমন আপনি নিজে নিজের কাজ ঠিক করতে পারছেন, নিজের পছন্দ মত কাজ বেছে নেয়ার সুযোগ, মার্কেট সম্পর্কে ধারনা পাবেন, আন্তর্জাতিক মানের কোম্পানির সাথে কাজ করার সুযোগ, নিজের পরিচয় এবং কাজকে অন্যকে জানাতে পারছেন, অবশ্যই আপনি উপার্জন করছেন, আপনার দক্ষতা যাচাই করার সুযোগ পাচ্ছেন, সর্বোপরি এই বিশ্বায়নের যুগে নিজেকে প্রস্তুত করতে পারছেন।

১টা সার্ভিস বেইসড বিজনেস আইডিয়া

"চিকিৎসা বিষয়ক তথ্য সহায়তা, কনসালটেন্সি এবং সাপোর্ট সার্ভিস" 
[দেশের বাইরে যারা চিকিৎসা করাতে যেতে চান তাদের যথাযথ হসপিটাল, ডাক্তার, মেডিসিন, থাকার ব্যবস্থা, খাওয়া দাওয়া, ট্রান্সপোর্টেশন, প্লেন টিকেট, পাসপোর্ট, ভিসা ইত্যাদি বিষয়ে সেবা প্রদান করা] 
রেভিনিউ আসবেঃ
# কনসালটেন্সি ফিস
# কমিশন (হোটেল, এয়ার টিকেট এবং অন্যান্য সেক্টর থেকে) 
কঠিনভাবে মেইন্টেইন করতে হবেঃ
ডাক্তার, হাসপাতাল বা ঔষধ থেকে কোনো কমিশন নেয়া যাবে না। রোগীর অভিভাবক যে হাসপাতালে যেতে চান বা যে ডাক্তারের কাছে যেতে চান, যাবেন। তাদের কোনভাবে প্রভাবিত করে অন্য কোথাও নেয়া যাবে না। আর যদি তারা না জানেন যে, কোথায় বা কার কাছে যাবেন তাহলে তাদের প্রয়োজন এবং সামর্থ অনুযায়ী সেরা সার্ভিসগুলো তাদের সামনে উপস্থাপন করতে হবে, তারা তাদের পছন্দ অনুযায়ী বেছে নিবেন। 
যাদের বিদেশ ঘুরাঘুরি করতে মন চায় বা ভালো লাগে তারা এই ব্যবসাটি ট্রাই করতে পারেন। সেবা, ভ্রমন ও মুনাফা সবই হবে একসাথে।

কেস স্টাডি : শারমিন রাবেয়া এর জামদানি শাড়ির প্রদর্শনী

দিন ১ : (১১.০৮.২০১২) 
রাবেয়া আপু অফিস এর কাজ সেরে তাড়াতাড়ি ছুটি নিয়ে চলে এসেছেন আইডিয়াবাজ অফিসে । আপু, তানশির ভাই এবং আমি বসে প্ল্যান করে নিলাম । সবার সাথে যোগাযোগ করে করণীয় ঠিক করে নিচ্ছি। ভ্যেনু এক রকম ফাইনাল । ঠিক হল বিকালে ইফতারের পর আমরা ভেনু দেখে ফাইনাল করব ।তবে কিছু সমস্যার কারণে ভ্যেনু দেখে আসা সম্ভব হয়ে উঠেনি আজ।
দিন ২ :(১২.০৮.২০১২)
সকাল থেকে আইডিয়াবাজ অফিসে আগের দিনের প্ল্যানগুলু বাস্তবায়ন এর কাজ এ নেমে পরি আমরা (আমি এবং শারমিন আপু), বিশেষ করে বিজনেস কার্ড, একটা হালকা লোগো, ব্যানার ডিজাইন, শপিং ব্যাগ ডিজাইন ইত্যাদি ।আমাদের নতুন কিছু শাড়ি ঢাকা থেকে এসেছে । টোটাল এখন ৩২ টা । নতুনগুলো একটু উন্নত মানের আগের চেয়ে ।বিকালে ইফতারের পর আমরা ভ্যেনু দেখতে গেলাম এবং হতাশ হয়ে গেলাম বিভিন্ন কারণে
        ১) যে মার্কেটে ঠিক করা হয়েছে সেটিতে মানুষের আনাগোনা হাতে গুনা
        ২) প্লেসটা এক্কেবারে উপরের ফ্লোরে ।
       ৩) এখানে সবগুলু মোটামুটি অফিস টাইপস তাই ভিজিটর কম হতে পারে

জামদানি শাড়ি


বিশ্ব দরবারে স্বতন্ত্র মহিমায় সমুজ্জল অভিজাত তাঁতবস্ত্র এ জামদানি। এ শিল্পের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়েছে এ দেশের সংস্কৃতি ও কৃষ্টি। বিশ্ব বিশ্রুত অনন্য মসলিন শাড়ির সংস্করন আধুনিক জামদানি শাড়ি। নারীর সৌন্দর্যসুধাকে বিমোহিত করে তুলতে জামদানির অপরিহার্যতা বিশেষ স্মরণীয়।
জামদানি নিয়ে উচ্চারিত হয়েছে চিরঞ্জীব পংক্তিমালা। যেখানে বন্ধুকে হাট থেকে তার প্রিয়তমা রমনী ঢাকাই জামদানি শাড়ি এনে দিতে বলছে।
তবুও ঈদকে সামনে রেখে জামদানি পল্লীতে চলছে কর্মব্যস্ততা। নাওয়া-খাওয়া ভুলে জামদানি শিল্পীরা এখন কাপড় বুনে যাচ্ছে। এবারের ঈদে তাদের চাহিদা অনেক। এবারের ঈদে প্রায় ৩০ কোটি টাকার জামদানি দেশের বিভিন্ন বিপনী বিতান ও বিদেশ যাবে বলে জামদানি তাঁতিরা জানান।

পোষাক ব্যবসা (পণ্য এবং সেবা) সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্যকোষ

কি থাকবে এই ডকে ?
যারা সংশ্লিষ্ট (পোষাক) ব্যবসায় আছেন (যেমন, স্টকলট ব্যবসায়ী, শোরুম ব্যবসায়ী, ই-কমার্স ব্যবসায়ী, কারখানা মালিক, একসসরিস সরবারহকারী, স্ক্রীন প্রিন্টিং ও এমব্রয়ডারী ব্যবসায়ী, মেশিন সরবারহকারী এবং পোষাক সংক্রান্ত অন্যান্য সেবা প্রদানকারী) তাদের সাথে যোগাযোগের বিস্তারিত তথ্য এবং ব্যবসা (পণ্য ও সেবা) সম্পর্কে পূর্ণ বিবরণ।
কি হবে বা কি লাভ ?
এতে করে গ্রুপে আলাদা করে আপনার ব্যবসা (পণ্য ও সেবা) সম্পর্কে আলাদা করে বিজ্ঞাপন দিতে হবে না। একে অপরকে সহজেই খুঁজে নিতে পারবেন। ব্যসায়িক যোগযোগ ও সম্পর্ক বৃদ্ধি পাবে এবং অধিকতর সহজ হবে।
[আপাতত কোনো লোগো বা ইমেজ ব্যবহার করার প্রয়োজন নেই। এডিট করার পূর্বে বর্তমান তথ্যগুলোর একটা ব্যাকআপ নিয়ে তারপর এডিট করবেন। সেক্ষেত্রে কোন সমস্যার কারনে তথ্য হারিয়ে বা মুছে যাবার সম্ভাবনা কম থাকবে]

বরং নিজেই হই উদ্যোক্তা

বিশ্বাস করুন আর না-ই করুন, সময় কিন্তু মানুষকে সব সময়ই সঠিক পথ দেখায়। সে পথকে চিনে নেওয়ার দায়িত্ব শুধু আপনার। হয়তো ভাবছেন, কী সব আবোলতাবোল কথা! সময় আবার মানুষকে পথ দেখায় কীভাবে!তাহলে বলি, চোখ-কান খুলে আপনার চারপাশে একটু তাকান। ভূরি ভূরি উদাহরণ মিলবে। এই যেমন মাহমুদুল হাসান সোহাগ। বুয়েট থেকে তড়িৎকৌশল বিষয়ে শিক্ষাজীবন শেষ করে সময়ের দেখানো পথেই পা বাড়িয়েছেন। তাঁর মতে, ‘চাকরির পেছনে না ছুটে বরং নিজেই একটা কিছু করা এখন সময়ের দাবি।’ সেই দাবি মেটাতেই মাহমুদুল হাসান গড়ে তুলেছেন অনলাইনভিত্তিক বই বিকিকিনির প্রতিষ্ঠান ‘রকমারি ডট কম’, সেই সঙ্গে ‘অন্য রকম সফটওয়্যার’, ‘অন্য রকম সলিউশন’, ‘অন্য রকম ওয়েব সার্ভিস’, ‘অন্য রকম প্রকাশনী’, সব মিলিয়ে মাহমুদুল হাসান গড়ে তুলেছেন ‘অন্য রকম গ্রুপ’, এখন তিনি সফল একজন উদ্যোক্তা।রাজধানীর বাইরেও উদাহরণ আছে অসংখ্য। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলার শিক্ষার্থী আরাফাত রুবেলের কথাই ধরা যাক। পড়ালেখার পাট চুকানোর পর একদিনের জন্যও চাকরি খোঁজেননি আরাফাত, বরং নিজেই কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির কাজে নেমে পড়েছেন।

সুযোগ নিজেকেই সৃষ্টি করতে হবে

টুইটারের সহপ্রতিষ্ঠাতা বিজ স্টোন। তাঁর জন্ম ১৯৭৪ সালের ১০ মার্চ, যুক্তরাষ্ট্রে। ১৪ মে, ২০১১ সালে ব্যবসন কলেজের সমাবর্তনে তিনি এ বক্তব্য দেন।
আজকে এখানে আসতে পেরে আমি খুব সম্মানিত বোধ করছি। গ্র্যাজুয়েটদের অনেক অভিনন্দন। তোমরা নিঃসন্দেহে বিশেষ কিছু অর্জন করেছ এবং তোমাদের যাত্রা মোটে শুরু হলো।যখন আমি ছোট্ট শিশু, তখন আমার মাকে বলেছিলাম, আমি বড় হয়ে ব্যবসনে একজন ব্যবসায়ী হতে যাব। কিছুটা অবিশ্বাস্যভাবেই আমি এখন এখানে দাঁড়িয়ে আছি তোমাদের সঙ্গে। এখানে আসার জন্য আমি আমার একান্ত নিজস্ব পথ বেছে নিয়েছিলাম।আজকে আমি তোমাদের সঙ্গে সুযোগ, সৃজনশীলতা, ব্যর্থতা ও সহানুভূতি সম্পর্কে চারটা গল্প বলব। এ গল্পগুলোর অন্তর্গত বোধ আমার ব্যবসা, আনন্দ এবং সাফল্যের দৃষ্টিভঙ্গিকে রঙিন করে তুলেছে।
সুযোগ: প্রথম গল্পের বিষয়আমার বয়স যখন ছয় থেকে দশ, তখন মা আমাকে বয় রেঞ্জার নামে একটা কর্মসূচিতে দিল। এটা বয়স্কাউটের পূর্ববর্তী পর্যায়।

August 5, 2012

কোটি টাকার আগর

সিলেটকে একসময় বলা হতো আগরের স্বর্গরাজ্য। পঞ্চাশের দশকের আগ পর্যন্ত সিলেটের আগরের ওপর নির্ভরশীল ছিল সারাবিশ্ব। দীর্ঘদিন থেকে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার অভাব, আগরকে শিল্প হিসেবে স্বীকৃতি না দেওয়া, জটিল রপ্তানি প্রক্রিয়া ও কারখানায় জ্বালানি সংকটের কারণে বহির্বিশ্বে সম্ভাবনাময় এ পণ্যের বাজার সংকুচিত হয়ে আসতে থাকে। তবে গত এক দশক থেকে আগর বনায়নে বন বিভাগ এগিয়ে আসায় নতুন করে সম্ভাবনার দ্বার খুলেছে। সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি অনেকে ব্যক্তি উদ্যোগেও আগর বনায়ন করছেন। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সংকট দূর করা গেলে বছরে শতকোটি টাকার আগর রপ্তানি করা সম্ভব।

বনসাইয়ের গল্প

নাম পাইকাস। মনোমুঙ্কর। উচ্চতা সর্বসাকুল্যে ফুট তিনেক। তবে বয়স কিন্তু কম নয় ৪৫ বছর। এটি বনসাই, আনা হয়েছে থাইল্যান্ড থেকে। এ গাছটির মালিক বিল্লাল হোসেন বাংলাদেশ প্রতিদিনকে জানান, এটি যত্নসহ দেশে আনতে প্রায় দুই লাখ টাকা লেগেছে। মেলায় আসা ক্রেতাদের দৃষ্টি কেড়েছে গাছটি। এর মধ্যেই এর দাম উঠেছে আড়াই লাখ টাকা। স্টলটির বিক্রেতারা আরও জানান, তারা চার লাখ টাকা দাম চাইছেন তবে সাড়ে তিন লাখ টাকা দাম উঠলে তারা এটি বিক্রি করবেন। এ ছাড়া এ স্টলে আরও বেশকিছু বনসাই রয়েছে। যার দাম ১০ হাজার থেকে ৭০ হাজার টাকা।

গ্যানোডার্মা মাশরুমের চাষ

লেখক: মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন | দৈনিক ইত্তেফাক। রবিবার, ১৭ জুন ২০১২,
গ্যানোডার্মা মাশরুম বিশ্বে অমরত্বের মাশরুম নামে পরিচিত। বিশেষ করে চীন, জাপান কোরিয়া ও মালয়েশিয়াতে হার্বাল মেডিসিন হিসেবে এর ব্যাপক ব্যবহার দেখা যায়। ক্যান্সার, এইডস, হূদরোগের মত বিভিন্ন জটিল ও কঠিন রোগের নিয়ন্ত্রণে গ্যানোডার্মা মাশরুমের কদর রয়েছে। জাতীয় মাশরুম উন্নয়ন ও সমপ্রসারণ কেন্দ্র কর্তৃক উত্পাদন প্রযুক্তি উদ্ভাবন হওয়ায় ৭টি আবাদযোগ্য জাত রয়েছে যা বাংলাদেশের গ্রীষ্মকালীন আবহাওয়ায় চাষ উপযোগী। বাণিজ্যিকভাবে এর চাষ শুরু হয়েছে।
গ্যানোডার্মার বীজ উত্পাদন: মাশরুমের অঙ্গজ বীজ অর্থাত্ স্পন তৈরির জন্য প্রধান উপাদান  হিসেবে কাঠের গুঁড়ো, আখের ছোবরা, ভুট্টার খড় ব্যবহার করা যায়, এর সাথে সাপ্লিমেন্ট হিসেবে গমের ভূষি, চালের কুঁড়া, ভুট্টার গুঁড়ো প্রভৃতি ব্যবহার করা যায়।

গোবর থেকে সিএন জি

গবাদি পশুর গোবর ও মূত্র প্রক্রিয়াজাত করে এতদিন শুধু বায়োগ্যাসই উৎপাদিত হতো। এখন উৎপাদিত হচ্ছে রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস (সিএনজি), আর এটা হয়েছে সিলেট শহরতলির বালুচরে। এ কাজটি করছেন খোকন দাস নামের এক যুবক। স্থানীয় টুলটিকর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল মছবি্বরের মালিকানাধীন একটি বায়োগ্যাস প্লান্টকে তিনি সিএনজি পাম্পে পরিণত করেছেন। খোকন দাসের এই বিরল উদ্ভাবনের কথা লোকমুখে প্রচার হওয়ায় দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে লোকজন দেখতে আসছেন প্লান্টটি। অনেকে নিজেদের এলাকায় বায়োগ্যাস থেকে সিএনজি প্লান্ট করতে খোকন দাসের প্রযুক্তিগত পরামর্শ ও সহযোগিতা চাচ্ছেন। সরকারি ও বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় এ প্রযুক্তির প্রসার ঘটানো সম্ভব হলে দেশের সিএনজি গ্যাসের চাহিদা অনেকটা পূরণ করা সম্ভব হবে বলে মনে করেন খোকন দাস।

সাপের বিষ রপ্তানী


সাপের বাণিজ্যিক চাষ ও সাপের বিষ রফতানির ব্যাপক সম্ভাবনা কাজে লাগাতে পারছে না সরকার। রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) রফতানি তালিকায় এ পণ্যের নাম না থাকলেও প্রতি বছর দেশি-বিদেশি চোরাচালান চক্রের মাধ্যমে পাচার হচ্ছে কয়েক কোটি টাকার সাপের বিষ। ভারতসহ ইউরোপের কয়েকটি দেশে সাপের বিষ পাচারের সঙ্গে জড়িত রয়েছে একাধিক চক্র। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাণিজ্যিকভাবে সাপের বিষ রফতানি করে বছরে আয় করা সম্ভব প্রায় ১৫০ কোটি টাকা। প্রায় দু'বছর আগে রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো বিদেশে সাপের বিষ রফতানির বিষয়ে একটি কমিটি গঠন করে। কিন্তু পরে নানামুখী জটিলতায় এর কার্যক্রম আর বেশিদূর এগোতে পারেনি।

আলু বীজের উদ্ভাবকের সাথে সাক্ষাৎকার

দেশের আলু উৎপাদন পদ্ধতির বাইরে আধিক উৎপাদনশীল আলুর বীজ উদ্ভাবন করেছেন শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষিতত্ত বিভাগের অধ্যাপক ড. তুহিন শুভ্র রায়। তিনি বলছিলেন তার উদ্ভাবন ও ভবিষ্যৎ স্বপ্ন নিযে। তার সাক্ষাৎকার নিয়ে লেখা।
রফিকুল ইসলাম: স্যার মূলত আপনার গবেষণার বিষয়টি কি ছিল?
ড. তুহিন শুভ্র রায়: আসলে সনাতন পদ্ধতিতে আলু চাষের বাইরে আধিক উৎপাদনশীল একটি পদ্ধতি উদ্ভাবনই ছিল মূল বিষয়।আমরা মূলত টিউবার দিযে যে আলু চাষ করে থাকি তার উৎপাদন আশানুরূপ হয় না। অন্যদিকে কৃষকদের কাছে এটি সহজলভ্য নয়। তাদেরকে নির্ভর করতে হয় বিভিন্ন বীজ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের উপর, আবার এর গুণাগুণ নিয়েই প্রশ্ন আসে।এই সমস্যা থেকে উত্তরণ এবং আধিক উৎপাদনশীল বীজ উৎপাদনই ছিল মূল লক্ষ্য।